ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হয়েছে, আগে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছিল তার সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল নেই এবং নতুন কিছু তথ্য সামনে এসেছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যকে যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
বিশেষ করে যদি ঘটনাটি কোনো শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্ককে ঘিরে হয়ে থাকে, তাহলে তার পরিচয়, ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করাই উচিত। এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও ভবিষ্যতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাল হওয়া যেকোনো তথ্য শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য যাচাই করা জরুরি। যদি ঘটনাটি নিয়ে কোনো তদন্ত, প্রশাসনিক পদক্ষেপ বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হয়, তাহলে তার ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।