ভা/ই/রা/ল হওয়া তরুণ-তরুণীর ১১ মিনিট২০ সেকেন্ডের ভিডিও কমেন্টে….see more

বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে ভিডিওটির নামে নানা দাবি করা হলেও, কোথায়, কখন এবং কীভাবে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে—সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় বা ঘটনার সত্যতা সম্পর্কেও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ভাইরাল পোস্টের বড় একটি অংশই মানুষের কৌতূহল বাড়িয়ে ভিউ ও ক্লিক পাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো ভিডিও, সম্পাদিত ক্লিপ বা ভুয়া তথ্য নতুন শিরোনামে প্রচার করা হয়।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, কারও ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে দেওয়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন হতে পারে এবং প্রযোজ্য আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধও হতে পারে।

এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কোনো ভিডিও বা দাবি দেখলে তা যাচাই না করে শেয়ার বা প্রচার না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনো ভাইরাল পোস্টকে সত্য ধরে নেওয়া উচিত নয়।

যদি এ বিষয়ে ভবিষ্যতে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশিত হয়, তাহলে তার ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *