ভাইরাল পোস্টে পদত্যাগের দাবি করা হলেও, পদত্যাগের কারণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পূর্ণ পরিচয় কিংবা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা সরকারি ঘোষণা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ভিত্তিতে খবরটিকে নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।
রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তি পদত্যাগ করলে সাধারণত দলীয় সূত্র, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য অথবা আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে পদত্যাগের কারণ ও পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।
এদিকে খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন। কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন, আবার কেউ এটিকে যাচাইবিহীন গুজব বলেও মন্তব্য করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পদত্যাগের মতো স্পর্শকাতর খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ ভুল তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।