পরিচয় হওয়ার পর ওর সাথে আমার ৩-৪ মাস কথা হয়…see more

আমাদের পরিচয় হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে। পরিচয় হওয়ার পর ওর সাথে আমার ৩-৪ মাস কথা হয়। কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে আমরা রিলেশনে যাই৷

রিলেশনে যাওয়ার পর একদিন সে আমাকে বলে যে, বাসা থেকে ঝগড়া করে সে বের হয়ে গেছে এবং তার বান্ধবীর বাসায় গেছে। (ওর মা বকা দিছিল কারণ তাজমিন তার বান্ধবীকে নিজের ঘড়ি দিয়ে দিছিল)

তারপর সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে সে বলে, “আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই।”

আমি তখন বলি, “তুমি অত দূর থেকে কীভাবে আসবে?”

সে বলে, “আমি একা একাই আসতে পারব, কোনো সমস্যা নেই। তুমি আমাকে লাইভ লোকেশন পাঠাও, আমি লোকেশন অনুযায়ী চলে আসব।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সে একদিন থাকে। এর পরদিন রাতে সে গাড়িতে ওঠে এবং পরদিন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছায়। আমি সেখানে গিয়ে তাকে রিসিভ করি। এরপর আমরা একটা রুম বুক করি এবং সেখানে একদিন থাকি।

পরে দেখা যায়, ওর মোবাইলে তার বাবা-মা প্রচুর কল দিচ্ছেন। তখন আমি তাকে বলি, “তুমি আজ বিকেলেই চলে যাও, আমি তোমার টিকিটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।”

এরপর আমি এক্সপ্রেস কাউন্টারে গিয়ে তার জন্য একটি সিঙ্গেল টিকিট কেটে দিই।

পরদিন সাড়ে ৫টার দিকে আমি তাকে গাড়িতে তুলে দিই। কুমিল্লা পৌঁছানো পর্যন্ত তার সাথে আমার লাইভ লোকেশন শেয়ার করা ছিলো এবং ফোনেও কথা হচ্ছিলো।

কুমিল্লা পৌঁছানোর পর সে আমাকে ফোন করে বলে, “আমি বাড়ি গিয়ে দেখছি মেইন গেট বন্ধ। আমি বাসায় ঢুকতে পারছি না, আব্বুকে ফোন দিচ্ছি কিন্তু আব্বুর ফোন বন্ধ।”

তখন আমি তাকে বলি, “তুমি দরজার সামনেই কিছুক্ষণ বসে থাকো এবং অন্য কারও ফোন থেকে কল দিয়ে আব্বুকে ডাকো।”

কিন্তু সে বলে, “না, সমস্যা নেই।
আমি আমার এক বন্ধুর বাবার দেখা পেয়েছি, উনার সাথে বন্ধুর বাসায় যাচ্ছি। আজ রাতে সেখানেই থাকব, সকালে বাসায় চলে যাব। এ কথা বলেই সে কল কেটে দেয়।

আমি আবার তাকে ভিডিও কল করলে দেখতে পাই সে একটি সিএনজিতে উঠছে।
আমি তাকে বলি, “তুমি সিএনজি থেকে নেমে যাও এবং তোমার বাসার সামনেই গিয়ে বসে থাকো।” এ নিয়ে আমি তাকে কিছুটা বকাবকিও করি। কিন্তু সে আমার কলটি কেটে দেয় এবং লাইভ লোকেশন বন্ধ করে দেয়।

সবশেষে সে আমাকে একটি মেসেজ দিয়ে বলে, “তুমি চিন্তা করো না, আমি আমার এক আঙ্কেলের বাসায় যাচ্ছি, কাল সকালে বাসায় ফিরে যাব।”

আমার ধারণা হচ্ছিল সে সিএনজিতেই ছিল। ভিডিও কলে কথা বলার সময় এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করে, “কার সাথে কথা বলছ?” সে উত্তর দেয়, “এক বন্ধুর সাথে।” এরপরই কলটি কেটে যায়।

এর পর থেকে তার সাথে আমার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। পরদিন বিকেলে আমি তার সেই বন্ধুর, যার বাসায় সে ছিল মাধ্যমে জানতে পারি যে, তাকে হ** করা হয়েছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *