স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স-’বাস করা যাবে : ইসলামের স্প’ষ্ট বি’ধান!.. more

ইসলামে নারী-পুরুষের সম্পর্ক, বিবাহ এবং যৌনজীবন সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। একজন মুসলিমের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে এসব বিধান মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে কি না, এ বিষয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। ইসলাম এ বিষয়ে কী বলেছে, কার সঙ্গে বৈধ সম্পর্কের সুযোগ রয়েছে এবং কোন ধরনের সম্পর্ক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ—তা জানা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীর সঙ্গে সহবাসের বিধান কী?
ইসলামের মূল বিধান অনুযায়ী, বৈধ বিবাহের সম্পর্ক ছাড়া কোনো নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা জায়েজ নয়। পবিত্র কোরআনে ব্যভিচারের কাছেও যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত মন্দ পথ।”

—সুরা আল-ইসরা, আয়াত ৩২।

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইসলাম শুধু ব্যভিচার নিষিদ্ধ করেনি, বরং যেসব কাজ মানুষকে এ ধরনের সম্পর্কে নিয়ে যেতে পারে, সেগুলো থেকেও দূরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

একাধিক বিয়ে সম্পর্কে ইসলামের বিধান
ইসলামে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে একজন পুরুষের একাধিক বিয়ের অনুমতি রয়েছে। তবে এর সঙ্গে ন্যায়বিচার ও দায়িত্ব পালনের কঠোর শর্ত জড়িত।

পবিত্র কোরআনের সুরা আন-নিসার ৩ নম্বর আয়াতে দুই, তিন অথবা চারজন নারীকে বিয়ে করার অনুমতির কথা বলা হয়েছে। তবে ন্যায়বিচার করতে না পারার আশঙ্কা থাকলে একজন স্ত্রীতেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও এটি দায়িত্বহীনভাবে সম্পর্ক স্থাপনের ছাড়পত্র নয়।

দাসী ও বর্তমান সময়ের বিধান
পবিত্র কোরআনের কিছু আয়াতে ঐতিহাসিক দাসপ্রথার প্রেক্ষাপটে ‘ডান হাতের অধিকারভুক্ত’ ব্যক্তিদের উল্লেখ রয়েছে। এটি প্রাচীন সমাজব্যবস্থার একটি ঐতিহাসিক ও আইনগত প্রসঙ্গ।

বর্তমান সময়ে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে দাস বা যৌনসম্পর্কের অধিকারভুক্ত ঘোষণা করার কোনো বৈধ সুযোগ নেই। দাসপ্রথার ঐতিহাসিক বিধানকে বর্তমান সমাজে নারীকে শোষণ বা জোরপূর্বক যৌনস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *