কুমিল্লায় একটি ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় ৫০০ বছরের পুরোনো রহস্যময় নিদর্শন পাওয়া গেছে—এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন কোনো বস্তু উদ্ধার হলে সাধারণত সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এবং বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর বয়স, ইতিহাস ও সত্যতা যাচাই করেন। যাচাই শেষ হওয়ার আগে কোনো বস্তুকে শত শত বছরের পুরোনো বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাটির নিচে পাওয়া যেকোনো পুরোনো বস্তু বা স্থাপনার ইতিহাস নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও গবেষণা প্রয়োজন। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসমর্থিত তথ্যের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ওপর নির্ভর করা উচিত।
যদি এ বিষয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়, তখনই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। ততক্ষণ পর্যন্ত যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।