ভাইরাল পোস্টে বিভিন্ন দাবি করা হলেও, সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ, স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যকে যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হয়রানি, যৌন নিপীড়ন বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে, তবে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং তদন্তের ফলাফলই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সংবেদনশীল বিষয়ে চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ব্যবহার করে যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে দিলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং নিরপরাধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিত।