জুঁইয়ের শাশুড়ির ব’ক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জ’ন্ম দিয়েছে।… See more

জুঁইয়ের শাশুড়ির বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তার দাবি, “আমি কখনোই আমার ছেলের বউকে নি%র্যা%তন করিনি। তাকে নিজের মেয়ের মতোই দেখেছি। বাসার কোনো কাজও করতে দিইনি।”

তিনি আরও বলেন, সন্তান জন্মের পর জুঁই ও তার ছেলে আলাদা থাকতে চাইলে তিনিই তাদের জন্য বাসা ঠিক করে দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তার ছেলে স্ত্রীকে খুব ভালোবাসত, এমনকি একবার স্ত্রীকে নিয়ে ঝগড়ার সময় তাকে ধাক্কাও দিয়েছিল।

শাশুড়ির অভিযোগ, জুঁই বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকতেন ও টিকটক করতেন। তিনি দাবি করেন, নাতিকে সারাদিন নিজের কাছেই রাখতে হতো এবং শিশুকে তিনি সুজি খাইয়ে বড় করতেন। এ বিষয়টি নিয়ে জুঁইয়ের বাবার সঙ্গেও কথা বলেছিলেন বলে জানান তিনি। তার মতে, সেখান থেকেই সংসারে অশান্তি বাড়তে থাকে।

সবশেষে তিনি বলেন, “যা-ই হয়ে থাকুক, আমি শুধু চাই আমার ছেলের বউ আর নাতি আবার আমাদের কাছে ফিরে আসুক।”

তবে এ ঘটনায় উভয় পক্ষের বক্তব্য রয়েছে। তাই শুধুমাত্র এক পক্ষের দাবি শুনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। বিশেষ করে যেখানে অল্প বয়সে বিয়ে, পারিবারিক সম্পর্ক ও একটি শিশুর ভবিষ্যতের মতো সংবেদনশীল বিষয় জড়িত, সেখানে সত্য উদঘাটন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনাদের কী মনে হয়? বিষয়টি নিয়ে আপনাদের মতামত জানাতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *