পাখির চোখে ঢাকা থেকে রংপুর অ’ভিমুখী লংমা’র্চ…see more

পাখির চোখে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চ, মহাসড়কে দীর্ঘ গাড়িবহর

ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে রাজধানী থেকে উত্তরবঙ্গের মহাসড়কে তৈরি হয়েছিল দীর্ঘ গাড়িবহর। আট দফা দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি শুরু হয় ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে। সকাল ৭টায় উদ্বোধনী সমাবেশের পর প্রায় ৮টার দিকে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে লংমার্চের বহর।

পাখির চোখে ধারণ করা বিভিন্ন দৃশ্যের মতো করে দেখলে, ঢাকার সড়ক পেরিয়ে একের পর এক গাড়ি উত্তরবঙ্গের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চিত্রই ছিল এ কর্মসূচির অন্যতম আলোচিত দৃশ্য। লংমার্চের গাড়িবহরে বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা যুক্ত হন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তা, মেডিকেল, অ্যাম্বুলেন্স, আইটি ও মিডিয়া টিম রাখার কথাও জানানো হয়েছিল।

কোথা থেকে কোথায় গেল লংমার্চ

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে যাত্রা শুরুর পর লংমার্চটি টঙ্গী ও গাজীপুর হয়ে টাঙ্গাইলের দিকে এগিয়ে যায়। এরপর টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ মোড়, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, বগুড়ার মাতিডালি বিমান মোড় এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। শেষ পর্যায়ে গাড়িবহর রংপুর জেলা স্কুল মাঠে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করার কথা ছিল।

টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ মোড়ে লংমার্চের গাড়িবহর পৌঁছানোর পর সেখানে পথসভাও অনুষ্ঠিত হয়। পরে বহরটি যমুনা সেতুর দিকে এগিয়ে যায়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে যমুনা সেতু পার হওয়ার সময় প্রায় সাড়ে চারশ গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ছিল আট দফা দাবি

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এই কর্মসূচি আট দফা দাবিতে আয়োজন করে। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিটি লংমার্চের আগে আট দফার মধ্যে যুক্ত করা হয়। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টি সামনে রেখেই এ কর্মসূচিতে তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগের বিষয়টিও ছিল আলোচনায়

লংমার্চে বিপুলসংখ্যক মানুষ ও যানবাহন অংশ নেওয়ায় মহাসড়কে যান চলাচলে কিছুটা চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথা আয়োজকদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে তারা কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক রাখার কথা জানায় এবং কোনো ধরনের উসকানিতে না জড়ানোর জন্য অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানানো হয়।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকায় লংমার্চ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিশেষ প্রস্তুতি নেয়। স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই এলাকায় পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় গাড়িবহরের দৃশ্য

ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত দীর্ঘ পথজুড়ে গাড়িবহরের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ওপর থেকে ধারণ করা দৃশ্যে একই পথে সারিবদ্ধভাবে চলতে থাকা বিপুলসংখ্যক গাড়ি নিয়ে অনলাইনে নানা পোস্ট প্রকাশিত হয়।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো নির্দিষ্ট ছবি বা ভিডিওর সংখ্যা, স্থান ও সময় আলাদাভাবে যাচাই না করে সেটিকে লংমার্চের সরাসরি দৃশ্য হিসেবে নিশ্চিত করা ঠিক নয়। প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিতে দীর্ঘ গাড়িবহর বিভিন্ন পয়েন্ট অতিক্রম করে রংপুরের দিকে যায়।

রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে ঢাকা-রংপুর লংমার্চটি ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত আট দফা দাবিকে সামনে রেখে আয়োজিত হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের ব্যাপক উপস্থিতি এবং দীর্ঘ গাড়িবহরের কারণে এটি সেদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *