“মেডিকেলে পড়তে হলে সেক্স করতে হয়”—ভাইরাল দাবির সত্যতা কী?
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে—”মেডিকেলে পড়তে হলে সেক্স করতে হয়।” পোস্টটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য বা প্রমাণিত তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তির জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে নির্দিষ্ট ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন অনুসরণ করতে হয়। কোনো স্বীকৃত মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতিমালায় এ ধরনের কোনো শর্তের অস্তিত্ব নেই।
তবে যদি কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি, যৌন সুবিধা দাবি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো অভিযোগ ওঠে, সেগুলো অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এমন অভিযোগের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের ভিত্তিতে বিষয়টি যাচাই করা উচিত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যেকোনো দাবি যাচাই না করে বিশ্বাস বা প্রচার করা উচিত নয়। ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্ক, বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।
তাই এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, সরকারি তথ্য বা তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই মতামত গঠন করা উচিত।