১. নিয়মিত সামাজিক বা রাজনৈতিক কর্মসূচি
ভারতে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক দল, শ্রমিক সংগঠন, বা সামাজিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট দাবি-দাওয়ায় (যেমন: মূল্যবৃদ্ধি, কৃষক নীতি, বা আঞ্চলিক ইস্যু) ধর্মঘট বা বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়ে থাকে। তবে সামাজিক মাধ্যমে সেটিকে “দেশজুড়ে চরম উত্তেজনা” বলে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করা হয়, যা মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সাথে সবসময় মেলে না।
২. পুরোনো খবর বা গুজবের পুনরাবৃত্তি
অনেক সময় দেখা যায় কয়েক বছর আগের কোনো ঐতিহাসিক বা বড় ধরনের আন্দোলনের খবরের ক্লিপ নতুন করে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হচ্ছে, যার সাথে বর্তমান সময়ের কোনো সম্পর্ক নেই।
৩. ফেসবুক রিলস ও ইউজারদের বিভ্রান্তি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রিলস বা শর্টস ভিডিওতে ক্লিক না করা পর্যন্ত পুরো খবর পাওয়া যায় না। লিংকে ক্লিক করিয়ে কোনো থার্ড-পার্টি ওয়েবসাইটে নেওয়ার জন্যই মূলত এ ধরনের চটকদার শিরোনাম সাজানো হয়।
সচেতনতা বার্তা: অসম্পূর্ণ ও মুখরোচক ক্যাপশনে বিভ্রান্ত হয়ে আতঙ্কিত বা উত্তেজিত হবেন না। যেকোনো দেশের বা অঞ্চলের সঠিক রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক ও মূলধারার গণমাধ্যমের খবরের ওপর নজর রাখুন।