সড়ক দুর্ঘ****টনায় যাত্রীর হাড়িয়ে যাওয়া…see more

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “সড়ক দুর্ঘটনায় যাত্রীর হারিয়ে যাওয়া… see more” বা এই ধরনের চটকদার শিরোনামে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলো মূলত এক ধরনের ক্লিকবেইট (Clickbait) এবং বিভ্রান্তিকর খবর

কৌতূহলী ব্যবহারকারীদের কোনো বহিরাগত ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলে নিয়ে ভিউ ও এনগেজমেন্ট বাড়ানোর জন্য এই ধরনের সেনসেশনাল হেডলাইন তৈরি করা হয়।

এ ধরনের সংবাদের নেপথ্য ঘটনা ও ধরন

১. আবেগীয় বা সংবেদনশীল ট্র্যাপ (Sensationalism)

দুর্ঘটনা, প্রিয়জনের খোঁজ বা মালামাল হারিয়ে যাওয়ার মতো স্পর্শকাতর বিষয় ব্যবহার করে সংবেদনশীল আবহ তৈরি করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ “See More”-এ ক্লিক করতে বাধ্য হন।

২. পুরোনো বা কাল্পনিক ঘটনা

অনেক সময় কয়েক বছর আগের কোনো সড়ক দুর্ঘটনার ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তার সাথে একটি মনগড়া বা অতিরঞ্জিত গল্প জুড়ে দিয়ে নতুন খবর হিসেবে চালানো হয়।

৩. ভিন্ন ঘটনার বিভ্রান্তিকর রূপ

বাস্তবে হয়তো দুর্ঘটনায় কারো ব্যাগ, টাকাপয়সা বা নথি হারিয়ে গেছে, কিন্তু সংবাদের শিরোনামে এমনভাবে “যাত্রী হারিয়ে যাওয়া” লেখা হয় যা দেখে মানুষ মনে করেন কোনো মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেছেন।

দুর্ঘটনাজনিত মালামাল বা স্বজন হারিয়ে গেলে করণীয়

যদি বাস্তবে এমন কোনো দুর্ঘটনা ঘটে এবং কোনো যাত্রী বা তাঁর জিনিসপত্র নিখোঁজ হয়, তবে সঠিক আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত:

  • নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ ও জিডি: দুর্ঘটনার স্থান যে থানার অধীনে, সেখানে অবিলম্বে যোগাযোগ করে সাধারণ ডায়েরি (GD) বা এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হবে।

  • হাইওয়ে পুলিশ বা ৯৯৯: হাইওয়েতে ঘটনা ঘটলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে জানাতে হবে।

  • হাসপাতালের জরুরি বিভাগ: নিকটস্থ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিখোঁজ ব্যক্তির বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে।

সচেতনতা বার্তা: সোশ্যাল মিডিয়ায় See More যুক্ত যেকোনো অসম্পূর্ণ ও চটকদার লিংকে ক্লিক করা বা তথ্য যাচাই ছাড়া তা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *