সোশ্যাল মিডিয়ায় “একসঙ্গে মৃত্যুর সিদ্ধান্ত, যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক; শেষ মুহূর্তে সরে গেলেন প্রেমিকা…..see more” ক্যাপশনে ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোও সোশ্যাল মিডিয়ার একটি বহুল ব্যবহৃত ক্লিকবেইট (Clickbait) এবং রোমাঞ্চকর মুখরোচক খবর।
পাঠকদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে আকর্ষণীয় শিরোনামের মাধ্যমে পোস্টে ভিউ, লাইক এবং শেয়ার বাড়ানোই এ ধরনের পোস্টের মূল লক্ষ্য।
ঘটনার নেপথ্য সত্য ও ভাইরাল প্রবণতা
১. পুরানো বা অন্য অঞ্চলের ঘটনার নতুন রূপ
এ ধরনের শিরোনামগুলো সাধারণত ভারতের কোনো রাজ্য (যেমন যমুনা নদীবেষ্টিত উত্তর প্রদেশ বা দিল্লি অঞ্চল) কিংবা বাংলাদেশের যমুনা সেতু এলাকার পুরোনো কোনো আত্মহত্যার চেষ্টা বা পারিবারিক বিবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়। অনেক সময় ঘটনাটি সত্যি হলেও সেটিকে অতিমাত্রায় নাটকীয় রূপ দিয়ে চটকদার ক্যাপশন বানিয়ে পোস্ট করা হয়।
২. এনগেজমেন্ট কৌশল
ক্যাপশনের শেষে “…..see more” বা “বিস্তারিত প্রথম কমেন্টে” লিখে রাখা হয় যাতে ব্যবহারকারীরা লিংকে ক্লিক করেন কিংবা কমেন্ট বক্স চেক করেন। লিংকে ক্লিক করলে প্রায়ই দেখা যায়:
-
খবরটির সংগে বাস্তব শিরোনামের কোনো মিল নেই।
-
কোনো অজানা ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলের প্রচারের জন্য এটি করা হয়েছে।
৩. সোশ্যাল মিডিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্যের স্পর্শকাতর বিষয়
আত্মহত্যা বা এ জাতীয় সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক-ভিউ আদায়ের উদ্দেশ্যে নাটকীয় কনটেন্ট বানানো এক ধরনের অসংবেদনশীল আচরণ।
সচেতনতা বার্তা: এ ধরনের রোমাঞ্চকর বা সংবেদনশীল অসম্পূর্ণ চটকদার শিরোনাম দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে বা গুজবে কান না দিয়ে পোস্টগুলো এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।