রোমাঞ্চে ভরা ম্যাচে এক সময় ইংল্যান্ড ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। সমর্থকদের উল্লাসে স্টেডিয়াম মুখর হয়ে উঠেছিল। ঠিক সেই সময়ই মাঠের বাইরে থেকে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে, যা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা।
খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই নানা ধরনের দাবি করতে থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ফলে ভাইরাল হওয়া পোস্টের দাবি সত্য কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
ফুটবলপ্রেমীদের মতে, বড় ম্যাচ চলাকালে বিভিন্ন গুজব বা অসমর্থিত তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় এসব তথ্যের সঙ্গে ম্যাচের প্রকৃত ঘটনার কোনো সম্পর্কও থাকে না। তাই যাচাই না করে এমন দাবি বিশ্বাস বা শেয়ার করা ঠিক নয়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ম্যাচ-সংক্রান্ত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে ফিফা, সংশ্লিষ্ট ফুটবল ফেডারেশন অথবা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসরণ করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অসম্পূর্ণ তথ্য অনেক সময় বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে।
মাঠের লড়াই শেষ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সেই নির্ধারিত হয়। তাই ভাইরাল পোস্টের পরিবর্তে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে ম্যাচ বিশ্লেষণ করাই একজন সচেতন ফুটবলপ্রেমীর পরিচয়।