সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “সাতক্ষীরার এমপি প্রথম স্ত্রীর অনুমতিতে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন”—এমন দাবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, তার পরিবার বা কোনো সরকারি সূত্র থেকে এমন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি। তাই ভাইরাল পোস্টের ভিত্তিতে বিষয়টিকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনপরিচিত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই বিভ্রান্তিকর বা অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তাই এ ধরনের দাবি শেয়ার বা বিশ্বাস করার আগে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
যদি এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত সংবাদ প্রকাশিত হয়, তখনই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। ততক্ষণ পর্যন্ত যাচাইহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।