সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, “অতীতে পাশ্চাত্যের নারীরা মুড সুইং বা বিষণ্নতায় ভুগলে তাদের স্বামীরা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেন…”। তবে এ ধরনের দাবি সাধারণীকরণ করে উপস্থাপন করা সঠিক নয় এবং এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক প্রমাণও সব ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মুড সুইং ও বিষণ্নতা জটিল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। এগুলো নারী-পুরুষ উভয়েরই হতে পারে এবং এর কারণ হতে পারে হরমোনের পরিবর্তন, মানসিক চাপ, পারিবারিক বা সামাজিক পরিস্থিতি, শারীরিক অসুস্থতা কিংবা অন্যান্য চিকিৎসাগত কারণ।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কেউ দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা আচরণগত পরিবর্তনে ভুগলে তাকে দোষারোপ না করে প্রয়োজনীয় মানসিক সহায়তা দেওয়া এবং প্রয়োজনে নিবন্ধিত চিকিৎসক বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত স্বাস্থ্যসংক্রান্ত যেকোনো দাবি বিশ্বাস বা শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ।