চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, শুধুমাত্র বাহ্যিকভাবে দেখে কোনো নারীর তিনি অবিবাহিত, বিবাহিত বা যৌনসম্পর্কে জড়িয়েছেন কি না—এমন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। নারীর যৌনাঙ্গের স্বাভাবিক গঠন ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে, এবং এর সঙ্গে বৈবাহিক অবস্থার কোনো নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক নেই।
অনেকেই তথাকথিত “সতীত্বের লক্ষণ” বা “হাইমেন দেখে বোঝা যায়”—এমন ধারণা প্রচার করেন। বাস্তবে হাইমেনের আকার ও গঠন জন্মগতভাবে ভিন্ন হতে পারে এবং খেলাধুলা, সাইকেল চালানো, ব্যায়াম, ট্যাম্পন ব্যবহার বা অন্যান্য স্বাভাবিক কারণেও এর পরিবর্তন হতে পারে। তাই এটি কোনোভাবেই কারও যৌন ইতিহাসের প্রমাণ নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য নারীদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব বা চাঞ্চল্যকর পোস্টের পরিবর্তে চিকিৎসক বা নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করা উচিত।