পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে ঘিরে শিক্ষক ও দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সম্পর্কের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ও প্রাইভেট শিক্ষক জালিলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পড়াতেন। শিক্ষার্থীর পরিবারের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। পরবর্তীতে সেই সম্পর্ক ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয় বলে অভিযোগ ওঠে। শিক্ষার্থীর বক্তব্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে শিক্ষক তাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এর আগেও তাকে টিসি দেওয়া হয়েছিল বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষকের প্রতি সমাজের প্রত্যাশা শুধু পাঠদান নয়; নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।