বাজারে ‘প্লাস্টিকের ডিম’ নিয়ে ভাইরাল দাবি, কী জানা গেল?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে নকল প্লাস্টিকের ডিম, আর এই সব নকল ডিম চেনার উপায়…”—এমন শিরোনামের পোস্ট প্রায়ই ভাইরাল হয়। তবে এখন পর্যন্ত বাজারে ব্যাপকভাবে প্লাস্টিকের ডিম বিক্রির দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক বা সরকারি প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ডিমের খোসা, কুসুম ও সাদা অংশ কৃত্রিমভাবে তৈরি করে আসল ডিমের চেয়ে কম খরচে বাজারজাত করা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে বিভিন্ন দেশে এমন গুজব ছড়ালেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো যাচাইয়ে সত্য প্রমাণিত হয়নি।
অনেক সময় পুরোনো, নিম্নমানের বা সংরক্ষণে সমস্যা হওয়া ডিমকে ভুল করে “প্লাস্টিকের ডিম” বলে প্রচার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচলিত অনেক “নকল ডিম চেনার কৌশল”—যেমন আগুনে পোড়ানো, বলের মতো লাফানো বা কুসুমের আকৃতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া—বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা নয়।
ডিম কেনার সময় বিশ্বস্ত দোকান থেকে কেনা, খোসায় অস্বাভাবিক ফাটল বা দুর্গন্ধ আছে কি না দেখা এবং ভাঙার পর রং, গন্ধ বা স্বাদে অস্বাভাবিকতা থাকলে তা ব্যবহার না করাই উত্তম। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত।
যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব ছড়ানোর পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সচেতন থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।