বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধুত্ব, আড্ডা ও সামাজিক মেলামেশা নিয়ে সমাজে নানা ধরনের ধারণা প্রচলিত রয়েছে। তবে কারও অতীতের সামাজিক জীবন বা বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার ভিত্তিতে তার চরিত্র, ভবিষ্যৎ দাম্পত্য জীবন কিংবা ভালো মা হওয়ার সক্ষমতা বিচার করা ঠিক নয়। বিয়ের ক্ষেত্রে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ে মিশুক হওয়া বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো নিজেই কোনো ব্যক্তির নৈতিকতা বা পারিবারিক মূল্যবোধের নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য সম্পর্ক টেকসই করতে পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান, যোগাযোগ এবং দায়িত্বশীলতা গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে সন্তান পালনের ক্ষেত্রে একজন মায়ের সক্ষমতা নির্ধারিত হয় তার যত্ন, ভালোবাসা, শিক্ষা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি কতটা সামাজিক ছিলেন তা দিয়ে নয়। তাই বিয়ের আগে কোনো ব্যক্তিকে সামাজিক গুঞ্জন বা পূর্বধারণার ভিত্তিতে বিচার না করে তার বর্তমান মানসিকতা, মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সামঞ্জস্যকে গুরুত্ব দেওয়াই অধিক যুক্তিসঙ্গত।