ব্রেকিং নিউজ 🔥🔥–দ্রু’ত ছ’ড়াচ্ছে যৌ”নাঙ্গ…see more

দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এক পরজীবীর সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ‘স্নেইল’ বা শামুকের মাধ্যমে ছড়ানো এই পরজীবীর সংক্রমণে হতে পারে ‘স্নেইল ফিভার’ নামের এক রোগ। এই সংক্রমণ এত দ্রুত ছড়াচ্ছে যে ভবিষ্যতে এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

রোগটির প্রভাবে মানুষের যৌনাঙ্গে ক্ষত, বন্ধ্যত্ব এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ স্নেইল ফিভারের চিকিৎসা নেন। এদের বেশির ভাগের বাস আফ্রিকা মহাদেশে। তবে সম্প্রতি বিশ্বের ৭৮টি দেশে এই রোগের সংক্রমণের খবর জানা গেছে। এর মধ্যে আছে চীন, ভেনেজুয়েলা ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ।

পরজীবীটি ত্বকের ভেতর দিয়ে শরীরে ঢোকে এবং রক্তে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকে। এরপর নীরবেই ডিম পাড়ে; আর এই ডিম জমা হয় মানবদেহের লিভার, ফুসফুস ও যৌনাঙ্গে। দীর্ঘ সময় মানুষের শরীরে এর উপস্থিতি থাকলেও তা ধরা নাও পড়তে পারে। উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পরজীবীর সংক্রমণে হওয়া রোগটির ধরন ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) এই রোগটিকে ‘বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ’ বলে মনে করছে। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে বেশ পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে এটি নতুন নতুন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্নেইল ফিভার যেভাবে ছড়ায়

যে পরজীবীর কারণে স্নেইল ফিভার রোগটি হয়, সেটির বাহক মূলত একটি বিশেষ ধরনের শামুক। এই শামুক যে পানিতে থাকে, সেখানে এই পরজীবীর লার্ভা পানিতে ছড়িয়ে পড়ে। যদি কোনো মানুষ বা প্রাণী এই পানির সংস্পর্শে আসে, তবে তার স্নেইল ফিভার হতে পারে।

লার্ভাগুলো ত্বকের ভেতর দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। এরপর এগুলো ধীরে ধীরে মানুষের শরীরের ভেতরে বড় হয়ে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বসবাস শুরু করে। স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। এই ডিমের কিছু অংশ মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তবে অনেক ডিমই শরীরের ভেতরে আটকে যায়। পরে তা শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা ধ্বংস করতে গিয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *