যৌ’ন শক্তির ভান্ডার হাতিসুর গাছ জেনে নিন ব্যবহারের নিয়ম
১. যৌন সক্ষমতা: এটি শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য ঠিক রেখে যৌন শক্তি বা স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে।
২.শুক্রাণু বৃদ্ধি: হাতিশুঁড় গাছের মূলের রস নিয়মিত সেবনে শুক্রাণুর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
৩. দ্রুত বীর্যপাত রোধ: সঠিক নিয়মে মূলের রস খেলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধানে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৪. শারীরিক দুর্বলতা: দীর্ঘদিনের শারীরিক ও স্নায়বিক দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে এর মূলার রস টনিক হিসেবে কাজ করে।
৫. বাত-ব্যথা নিরাময়: শিকড় বা পাতা বাটা গরম করে ব্যথার স্থানে মালিশ করলে বাতের ব্যথা দ্রুত কমে।
৬. ফোলা ভাব কমানো: হাড়ের জয়েন্টে পানি জমা বা ফুলে যাওয়া কমাতে এর প্রলেপ বেশ কার্যকরী।
৭. মচকানো ব্যথা: শরীরের কোনো অংশ মচকে গেলে এই গাছের মূলার রস দিয়ে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।
৮. ছত্রাকজনিত ইনফেকশন: দাদ বা চুলকানি সারাতে হাতিশুঁড় পাতার রস বা মূল বাটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
৯. একজিমা সারাতে: দীর্ঘস্থায়ী একজিমা বা খোসপাঁচড়া দূর করতে এর শিকড় বাটা ব্যবহার করা হয়।
১০. ক্ষত নিরাময়: শরীরের কোনো ক্ষত বা ঘা দ্রুত শুকাতে এর রস অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।
১১. ব্রণ দূর করতে: মুখের কালচে দাগ বা ব্রণ সারাতে কচি মূলের রস মুখে লাগানো যায়।
১২. টাইফয়েড ও জ্বর: টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে এই গাছের মূলের রস শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
১৩. বিষাক্ত কামড়ে: বিষাক্ত মাকড়সা বা বিচ্ছু কামড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যথা ও বিষ কমাতে এর মূলার প্রলেপ দেওয়া হয়।
১৪. সাইনাসের সমস্যা: যাদের সাইনাসের কারণে তীব্র মাথাব্যথা হয়, তাদের জন্য এর রস অত্যন্ত উপকারী।
১৫. ঠাণ্ডা ও কাশি: পুরনো কফ বের করতে এবং কাশি কমাতে এই গাছের রস মধু দিয়ে খেলে উপকার মেলে।