তাজমিন-কেসটার একটা নতুন আপডেট দেখলাম।
কক্সবাজার আদালতে তাজমিনের বয়ফ্রেন্ড রিয়াজ উদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে একটা ধ**ণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাজমিনের সাথে রাজুর প্রেম হয়। গত ৬ অক্টোবর তাজমিন বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজার যায় এবং সেখানে রাজুর সাথে কলাতলীর একটা আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুইদিন থাকে। এরপর ৭ অক্টোবর রাজু তাকে কুমিল্লার বাসে তুলে দেয়।
৭ অক্টোবর রাতে তাজমিন যখন কুমিল্লার বিশ্বরোডে বাস থেকে নামে, তখন বাসায় ফেরার জন্য সুমন মিয়া নামের এক সিএনজি চালকের গাড়ি ভাড়া করে। কিন্তু সুমন তাকে বাসায় না নিয়ে একটা নির্জন ধানক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাজমিনকে ধ**ণের পর হ**- করা হয়। সুমন অলরেডি পুলিশের কাছে নিজের এই অপরাধ স্বীকার করেছে এবং বর্তমানে জেলেও আছে।
এখন প্রশ্ন হলো, তাজমিনকে তো সরাসরি হ***করেছে সিএনজি চালক সুমন. তাহলে কক্সবাজারের বয়ফ্রেন্ড রাজুর বিরুদ্ধে কেন ধ*-*ণ মামলা হলো?
জানা মতে তাজমিন স্বইচ্ছায় গিয়েছে তাহলে ধ*-*ন মামলা কেন দেয়া হলো….??
আইনি পয়েন্ট থেকে এটার কারণ একদম ক্লিয়ার। তাজমিন ছিল সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী, যার বয়স মাত্র ১৫ বছর। অর্থাৎ সে আইনত একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক বা নাবালিকা।
বাংলাদেশের ‘নারী ও শিশু নি- র্যাতন দমন আইন, ২০০০’ অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনো মেয়ের “সম্মতি” বা “স্বেচ্ছা” আইনের চোখে একদমই অবৈধ।
অর্থাৎ, মেয়েটি যদি নিজে মুখেও বলে যে সে নিজের ইচ্ছায় গেছে বা রাজি ছিল, আইনের কাছে সেই সম্মতির কোনো মূল্য নেই।
আইন বলে, কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যদি প্রেমের ফাঁদে ফেলে, ফুসলিয়ে, মিথ্যে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বা প্রলোভন দেখিয়ে শা* রীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়, তবে মেয়েটি স্বইচ্ছায় গেলেও সেটাকে আইনত ‘অপহরণ’ এবং সরাসরি ‘ধ*-*ণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
রাজু ও তাজমিন হোটেলে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে রুম নিয়েছিল। যেহেতু তাজমিন অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাই আইনত তাদের কোনো বৈধ বিয়ে হওয়া সম্ভব নয়।
ফলস্বরূপ, সেখানে যে শা* রীরিক সম্পর্ক হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনের চোখে তা ধ*-*ণ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
কক্সবাজারের আদালত ঠিক এই আইনি কারণেই রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে প্রলোভন দেখিয়ে হোটেলে নিয়ে যাওয়া এবং তার নাবালকত্বের সুযোগ নেওয়াটাই আইনের চোখে একটা মারাত্মক অপরাধ।
এখানে মেয়েটির সম্মতি বা ইচ্ছা অপরাধীকে কোনোভাবেই বাঁচাতে পারবে না।
আচ্ছা আপনাদের কি মনে হয় এ বিষয়ে??