তাহসিফ সৌরির বাবা বলেন, ওকে বরখাস্ত করা হয়, আরও কিছু অফিসারকেও বরখাস্ত করা হয়। ও, শৃঙ্খলাজনিত কারণে বরখাস্ত হয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়।
এরপর সে প্রাইভেট জব করেছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং নেত্র নিউজ-এ। আর সবশেষে ‘ভার্গোট জোবারক’-এ সে কাজ করেছে। সে অত্যন্ত জেন্টেল প্রকৃতির এবং মিশুক ছিলো। সিনিয়র-জুনিয়র সবার সাথেই তার খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো।
ঘটনার দিন ২৭ তারিখ সন্ধ্যার পর সে সারাদিন তার মায়ের সাথে ছিল, শপিং করেছে এবং আমার জন্যও কিছু কেনাকাটা করেছে। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওর এক জুনিয়র যাকে সে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতো, নিচে থেকে তাকে ডেকে পাঠায়।
তখন সে তার মাকে বলে, “ দ্বীপ আসছে, ওর সাথে কথা বলে আসি”…… এই বলে সে নিচে নামে এবং আর ফেরেনি।
এর মধ্যে ওর মা বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। রাত ১:৩৫ মিনিটে সে একটি মেসেজ দেয় যে, “আমি আসছি”।
“আমি আসছি”…. এমন একটি ব্যস্ত মেসেজ দেওয়ার পর থেকেই তাকে আর লোকেট করা যায়নি।
আমরা তুরাগ থানায় গিয়েছিলাম। গতকাল দুপুরে উনারা বললেন, “না, এরকম কোনো ব্যাড নিউজ নেই, আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন।”
কিন্তু সন্ধ্যার আগে, বোধহয় সোয়া পাঁচটার দিকে, উত্তরখান থানার ওসি সাহেব আমার সাথে কথা বলেন। আমার নাম ও ছেলের নাম নিশ্চিত হয়ে তিনি আমাকে জানান যে, নদীতে একটি মৃ* দে/ হ পাওয়া গেছে। জায়গাটি হলো রাজাবাড়ীঘাট, হাতিপাড়া দিয়ে যেতে হয়। অথচ আমার ছেলে কখনো ওই এলাকায় যায়নি!
এরপরও এ ধরনের ঘটনা ঘটলো।
কারা বা কে তাকে হ** করেছে, আমরা এর বিচার চাই।