একজন সম্মানীত হুজুর হয়েও তিনি এমন কাজ কিভাবে করলো? নিজে বিবাহিত হয়েও হোটেলে অন্য নারী সহ আটক৷
ধর্মীয় পরিচয় থাকলেই কেউ প্রকৃত ভালো মানুষ হয়ে যায় না। একজন মানুষের আসল পরিচয় ফুটে ওঠে তার আচরণ, সততা ও দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে।
লোকটা মাগুরা জেলার একজন মাদ্রাসা শিক্ষক হাবিবুল্লাহ। আর নারীর নাম রুপালী খাতুন৷ তার বাড়ী ঝিনাইদহ জেলায়৷
তাদের মধ্যে দীর্ঘ দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল এর মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে একাধিকবার।
কিন্তু এখন মাদ্রাসা শিক্ষক মেয়েটিকে কালীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডে নিয়ে এসে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয় এ সময় স্থানীয় জনতার স’ন্দেহ হলে তাদেরকে আ’টক করে জি’জ্ঞাসা’বাদ করেন।
আমার কষ্ট লাগে যেটা ভেবে! ধর্মীয় পরিচয় ও পোশাকের আড়ালে যদি কেউ অনৈতিক কাজ কিংবা প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন, তাহলে তাঁর জবাবদিহি কোথায়?
আমাদের সমাজে এমনিতেই হুজুর আলেমদের এক শ্রেনীর মানুষ অন্য চোখে দেখে৷ সেখানে প্রতিদিন এমন ঘটনাগুলো সত্যি ভয়াবহ৷
আপনার কি মনে হয়! হুজুর হয়েও কিংবা মাদ্রাসায় পড়েও একটা মানুষ বিপথে যাবার কারণ কি?