ফিফা সভাপতির বি’রুদ্ধে থা’নায় মা/মলা করলেন নোয়াখালীর তরুনের … see more

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের রেফারিং নিয়ে বিতর্ক এবার গড়িয়েছে বাংলাদেশেও। ম্যাচে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে ফিফা সভাপতি, ম্যাচ রেফারিসহ ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক তরুণ। একই সঙ্গে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী মো. রাকিব (২২) নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা। বুধবার (৮ জুলাই) রাতে তিনি লিখিত অভিযোগ নিয়ে সুধারাম মডেল থানায় যান। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের আইনগত এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেওয়া হয়নি।

লিখিত অভিযোগে রাকিব উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে বড় পর্দায় তিনি আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপের ম্যাচটি দেখছিলেন। ম্যাচ চলাকালে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে সুবিধা দিয়েছেন, যার ফলে তার প্রিয় দল মিসর পরাজিত হয়েছে।

অভিযোগে তিনি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচের ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাকিবের দাবি, ম্যাচে অন্যায্য পেনাল্টি, বৈধ গোল বাতিল এবং মিসরের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ম্যাচের ফল প্রভাবিত করা হয়েছে। এতে তিনি এবং মিসরের অসংখ্য সমর্থক মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে ফিফার কাছে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই তরুণ লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে এ ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় থানার কোনো আইনগত এখতিয়ার নেই। বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলা হয়েছে এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রাকিব বলেন, ম্যাচটি দেখার পর তিনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্য সমর্থকেরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ ঘটনার বিচার হওয়া উচিত। যেহেতু পুলিশ অভিযোগটি গ্রহণ করেনি, তাই তিনি একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাবেন। প্রয়োজন হলে মানববন্ধনসহ অন্যান্য কর্মসূচিও পালন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *