ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বিয়ের পর প্রথম রাতেই এমন একটি ঘটনা ঘটে, যার কারণে নববধূ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরদিন সকালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্য ও মন্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিবাহিত জীবনে কোনো সমস্যা, বিরোধ বা গুরুতর অভিযোগ দেখা দিলে তা পারিবারিকভাবে বা প্রয়োজনে আইনগতভাবে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসম্পূর্ণ বা একতরফা তথ্য ছড়িয়ে দিলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হলে তবেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই যাচাইবিহীন তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।