ভাইরাল পোস্টে নববধূর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও পরিচয় নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, পরিবার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফলে পোস্টে প্রচারিত তথ্যকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে গ্রহণ করা ঠিক হবে না।
পারিবারিক বা বৈবাহিক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে নানা ব্যক্তিগত, সামাজিক বা মানসিক কারণ থাকতে পারে। তাই কোনো একতরফা দাবি বা গুজবের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। তাই এ ধরনের পোস্ট শেয়ার বা বিশ্বাস করার আগে নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য যাচাই করা জরুরি।
যদি ঘটনাটি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ, তদন্ত বা নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশিত হয়, তাহলে তার ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। ততক্ষণ পর্যন্ত যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।