সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “অবশেষে ১৩ বছরের মেয়েটির দায়িত্ব তার স্বামী না নেওয়ায় তার চাচি শাশুড়ি…”—এমন শিরোনামে একটি পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টটিতে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ককে ঘিরে বিভিন্ন দাবি করা হলেও, সেগুলোর সত্যতা এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
যেহেতু বিষয়টি একজন শিশুকে নিয়ে, তাই এ ধরনের সংবেদনশীল ঘটনায় তার পরিচয়, ব্যক্তিগত তথ্য বা পারিবারিক পরিস্থিতি প্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন। যদি ঘটনাটি বাস্তব হয়ে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত ঘটনা জানা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের জড়িত কোনো ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঞ্চল্যকরভাবে প্রচার না করে তাদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। যাচাইবিহীন তথ্য বা গুজব প্রচার শিশুর ভবিষ্যতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্রে তথ্য প্রকাশিত হলে তবেই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। ততক্ষণ পর্যন্ত গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকাই দায়িত্বশীল আচরণ।