স্বা/মী যদি স-হ-বা’-সে অ’ক্ষম হন, তাহলে…see more

স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হন, তাহলে স্ত্রীর কী করণীয়?

দাম্পত্য জীবনে যৌন সক্ষমতা নিয়ে সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। অনেক সময় মানসিক চাপ, উদ্বেগ, শারীরিক অসুস্থতা, কিছু ওষুধ, হরমোনের সমস্যা বা অন্য কোনো চিকিৎসাগত কারণে একজন পুরুষের যৌন সক্ষমতায় সাময়িক বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রথমেই লজ্জা বা দোষারোপ না করে বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর খোলামেলা কথা বলা জরুরি। একবার বা দুবার সমস্যা হলেই স্থায়ীভাবে “অক্ষম” ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

কী করা উচিত?

১. চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
সমস্যাটি বারবার হলে ইউরোলজিস্ট বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করা যায়।

২. মানসিক চাপ কমানো
দুশ্চিন্তা, সম্পর্কের টানাপোড়েন বা পারফরম্যান্স নিয়ে ভয় থেকেও যৌন সক্ষমতার সমস্যা হতে পারে। তাই সঙ্গীর কাছ থেকে সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. নিজের ইচ্ছায় ওষুধ না খাওয়া
বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন যৌন শক্তিবর্ধক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৪. স্ত্রী কী করবেন?
স্ত্রীকে বিষয়টি নিয়ে অপমান, চাপ বা জোর না করে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করে চিকিৎসা নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া উচিত। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরও সমস্যা থাকলে দুজন মিলে ভবিষ্যৎ দাম্পত্য জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

৫. ইসলামী ও আইনগত বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে
শুধু যৌন সক্ষমতার সমস্যা থাকলেই সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করতে হবে—এমন নয়। তবে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী এবং দাম্পত্য অধিকার পালনে গুরুতর বাধা হলে স্থানীয় আইন ও নির্ভরযোগ্য ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি লজ্জার বিষয় নয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসাযোগ্য। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্মান, ধৈর্য ও চিকিৎসকের পরামর্শই প্রথম পদক্ষেপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *