বাবা মারা গেছেন বহু বছর আগে, পড়াশোনার পাশাপাশি ৫০ জোড়া কবুতর পালন করে স্বাবলম্বী তরুণ
জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করেও থেমে যাননি তিনি। বহু বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ে। তবে হতাশ না হয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি শুরু করেন কবুতর পালন। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে প্রায় ৫০ জোড়া কবুতর, আর এই উদ্যোগ থেকেই আসছে নিয়মিত আয়।
তরুণটি জানান, ছোট পরিসরে কয়েক জোড়া কবুতর দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে খামারের পরিধি বাড়াতে সক্ষম হন। এখন বিভিন্ন জাতের কবুতর বিক্রির পাশাপাশি বাচ্চা উৎপাদনের মাধ্যমেও ভালো আয় হচ্ছে, যা তার পড়াশোনা ও পরিবারের খরচ চালাতে সহায়তা করছে।
স্থানীয়রা বলছেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও এই তরুণের পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। বিশেষ করে যারা পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের পথ খুঁজছেন, তাদের জন্য কবুতর পালন একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হতে পারে।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিচর্যা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে কবুতর পালন কম পুঁজিতে লাভজনক একটি খাত হতে পারে। তবে সফল হতে হলে প্রশিক্ষণ ও বাজার সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
পরিশ্রম, ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতিও যে সাফল্যের পথে বাধা হতে পারে না—এই তরুণের গল্প তারই বাস্তব উদাহরণ।