তাহসিফ সৌরি মৃ’/ত্যু’/র ৩ মাস আগে ‘স্পিক উইথ রশিদ’ পডকাস্টে হ’/তার বি’/রুদ্ধে…see more

তাহসিফ সৌরি মৃত্যুর ৩ মাস আগে ‘স্পিক উইথ রশিদ’ পডকাস্টে হতার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় দাবি করা হয়েছিল, তিনি নাকি কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার ভিডিও ভাইরাল করেছিলেন। এমনকি রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছিল, এয়ারফোর্সের ভেতরে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।
কিন্তু এসব অভিযোগকে সরাসরি ‘হাস্যকর ও ভুয়া প্রোপাগান্ডা’ বলে উড়িয়ে দেন তাহসিফ সৌরি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি যদি ভিডিও ছড়িয়েও থাকি, হোয়াট ইজ দ্য প্রুফ দে হ্যাভিং?”
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন রিফাত আশরাফী এবং তাহসিফ সেটি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাহসিফ এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, এয়ারফোর্সের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করলেও সামরিক জনসংযোগ বিভাগ তার বিরুদ্ধে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতির কথা প্রকাশ করেনি। নিজের বিরুদ্ধে ‘র’-এর এজেন্ট হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, “আমি যদি ‘র’-এর এজেন্টই হতাম, তাহলে বাংলাদেশে কেন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছি আর প্রকাশ্যে কথা বলছি?”
তাহসিফের দাবি, এসব অভিযোগের পর তৎকালীন এয়ার ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক এয়ার কমোডর মাহবুব তাকে ডেকে জানান, তিনি যদি স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন, তাহলে তাকে আর হয়রানি করা হবে না কিংবা গ্রেপ্তার করা হবে না। ক্যারিয়ার বাঁচানোর তাগিদে বাধ্য হয়েই তিনি সেই আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন বলে পডকাস্টে জানান।
এ ছাড়া তার অভিযোগ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন সেলিম জাভেদ তাকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন।
পডকাস্টে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তাহসিফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার ফোন ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ দুই বছর তার পাসপোর্ট আটকে রাখা হয়েছিল৷
তার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন মেধাবী জিডিপি পাইলট হওয়া সত্ত্বেও এসব ঘটনার কারণে তিনি সিভিল এভিয়েশনে যোগ দিয়ে নিজের ফ্লাইং ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে পারেননি। তিনি পুরো ঘটনাকে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর চরম আঘাত হিসেবে দেখেছিলেন।💔
কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখন অন্য জায়গায়।
পডকাস্টে তাহসিফ সৌরি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, চাকরি হারানোর পরিস্থিতি এবং তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার কথা প্রকাশ্যে তুলে আনার পর সেই তাহসিফ সৌরিকে তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করা হয়৷ আর স্বাভাবিকভাবেই এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
আপনার কি মনে হয়? তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনা কি নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি এর পেছনে এমন কোনো তথ্য রয়েছে, যা এখনো জনসমক্ষে আসেনি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *