ভাইরে ভাই, সিফাতুন নুরের ঘটনার ইনভেস্টিগেশন যত সামনে আসছে, তত বেশি খারাপ লাগছে…. !
ঘটনার মূল সূত্রপাত গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে….. সিফাতুনের মা জুহিনুর আক্তার নিজের হাতে তৈরি কিছু নাস্তা নিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যান।
কিন্তু নাস্তার পরিমাণ কম কেন, এই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাশুড়ি রিজিয়া বেগম প্রথমে সিফাতুনের মায়ের ওপর চড়াও হন এবং তাঁকে মা*ধ* করেন ।
ঠিক তখনই বাকি দুই পি*:শা*:চ ননদ রাশেদা বেগম এবং সুমি আক্তার মিলে ৩ মাসের অ/ ন্তঃ// সত্ত্বা সিফাতুনের চু/ লের মু* ধরে মাটিতে আ-*ড়ে ফেলে!
এরপর পে* ও শরীরে উপর্যুপরি লা** আর নির্মম মা*ধ* করা হয়….
মা-মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাঁদের উদ্ধার করে। কিন্তু ওই রাতেই সিফাতুনের কন্ডিশন এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
টানা ৯ দিন চমেকের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে যন্ত্রণায় ছটফট করে অবশেষে শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মেয়েটা চিরতরে চোখ বুজে ফেলে! সিফাতুনের সাথে সাথে শেষ হয়ে গেল তাঁর পে*- টের ৩ মাসের নিষ্পাপ শিশুটাও…. 
সবচেয়ে জঘন্য ব্যাপার হলো খু**দের নাটক! মা*ধ* রের পর মেয়েটা যখন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, তখন ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন রটিয়ে দেয় যে সিফাতুন নাকি “আ* ত্মহ* র চেষ্টা” করেছে !
কিন্তু সত্য কি আর চাপা থাকে? সিসিটিভি ফুটেজে রাত ৯টার দিকে শাশুড়ির সাথে ধস্তাধস্তি আর ঠিক ১ ঘণ্টা পর সিফাতুনের নি*র দে// হ ঘর থেকে বের করে আনার দৃশ্য সবকিছু পানির মতো পরিষ্কার করে দিয়েছে!
ইতিমধ্যে পটিয়া থানার ওসি মো. জিয়াউল হক জানিয়েছেন, ঘটনার পরেই সিফাতুনের মা তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছিলেন এবং পুলিশ প্রধান আসামি শাশুড়ি রিজিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।
বাকি দুই ননদ এখনো পলাতক!
চট্টগ্রামের এই “বাবার বাড়ির নাস্তা বা সওদা” পাঠানোর কুৎসিত সামাজিক রীতিটা আর কত মেয়ের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেবে ? একটা পাঁচ মাসের নতুন সংসার, স্বামী প্রবাসে মেয়েটাকে আগলে রাখার কথা যাদের, তারা সামান্য নাস্তার লোভে তাকে পি**য়ে মে*ফেলল?
সিফাতুনের খু** শাশুড়ি আর ননদদের এমন ফাঁ** বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যেন বাংলাদেশের আর কোনো শ্বশুরবাড়ি কোনো মেয়ের বাবার বাড়ির নাস্তা বা উপহার নিয়ে কথা বলার সাহস না পায়!
সিফাতুন ও তাঁর অনাগত সন্তানের এই অকাল মৃত্যুর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আল্লাহ্ মেয়েটাকে জান্নাতবাসী করুন।